পরম শেষের অন্বেষণে

এক

এই যে জীবনটাকে পাওয়া। আর এই যে প্রতিদিনের পথ চলা। কোন একটা নির্দিষ্ট অভিমুখেই তো। কোন কিছু পাওয়ায় আশায়। কোন কিছু হয়ে ওঠার আশায়। কিংবা কোথাও একটা পৌঁছানোর আশায়।

পড়তে থাকুন “পরম শেষের অন্বেষণে”

আমাদের সুখ আমাদের আনন্দ

আমাদের সকল কাজের কাণ্ডারী সেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর লেখায় এক জায়গায় বলছেন, “আমি জানি, সুখ প্রতিদিনের সামগ্রী। আনন্দ প্রত্যহের অতীত”। আমাদের প্রতিদিনের জীবনযাপন এই সুখের অভিমুখেই ছুটছে।

পড়তে থাকুন “আমাদের সুখ আমাদের আনন্দ”

রবীন্দ্রনাথ ও মৌলিক সৃষ্টি

আমাদের এত গর্বের যে রবীন্দ্রসাহিত্য। যে সাহিত্য আধুনিক বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছিয়ে দিয়ে গিয়েছে এবং পরবর্তী বাংলা সাহিত্যকে পুষ্টি জুগিয়ে চলেছে নিরন্তর এবং দুর্বার গতিতে। সেই রবীন্দ্রসাহিত্য কি মৌলিকত্বের দাবি করতে পারে? রবীন্দ্রসাহিত্য কি আদৌ মৌলিক সাহিত্য?

পড়তে থাকুন “রবীন্দ্রনাথ ও মৌলিক সৃষ্টি”

আহাম্মকের আত্মকাহিনী

সত্যি এই মানুষটিকে দেখলেই খুব হাসি পায়। সর্বনাশ। এমন কথা মুখে আনাও পাপ। চারধারে রবীন্দ্র অনুরাগীরা নাই তো? থাকলেই মানহানির মামলা ঠুকে দেবে সরাসরি। কিন্তু হাসি এমনই বিষম বস্তু যে, পৌষ্টিক গণ্ডগোলের মতো। চেপে রাখাই দায়। ও ঠিক ফাঁক ফোঁকর করে নিয়ে বেড়িয়ে পড়বেই পড়বে। পড়তে থাকুন “আহাম্মকের আত্মকাহিনী”

আত্মপ্রবঞ্চনার পঁচিশে বৈশাখ

রবীন্দ্রনাথ হয়তো ভেবেছিলেন, যাক এবার লকডাউনে বাঙালির বাৎসরিক অত্যাচার থেকে একটু রেহাই পাবেন। মৃত্যুর পর ৮৯ বছর গত হলেও, রবীন্দ্রনাথের বাৎসরিক শেষ হয়নি আজও। জানি না কবি মনে মনে খুশি হয়েছিলেন কিনা এই ভেবে যে এবার লকডাউনে বাঙালি আচ্ছা জব্দ হবে।

পড়তে থাকুন “আত্মপ্রবঞ্চনার পঁচিশে বৈশাখ”