আজকে যাদের জন্মদিন

প্রত্যেক মানুষের কাছে নিজের জন্মদিনের অবশ্যই একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আজকে যাদের জন্মদিন দিনটি আনন্দ উদযাপনের। বছরের প্রতিটি দিনই কোন না কোন মানুষের জন্মদিন। সারা বছরের বাকি দিনগুলির সাথে এর একটি জায়গায় তফাৎ। সেটি হলো, আজকের দিনটি আমার। পড়তে থাকুন “আজকে যাদের জন্মদিন”

বই পড়া ও না পড়া

না, আজকে আমি কোন বই পড়ি নি। আশা করি অধিকাংশ বাঙালিই আজ সিলেবাসের বাইরে, পরীক্ষার বাধ্যবাধকতার বাইরে নিছক বই পড়ার আনন্দ পেতেই কোন বই পড়েননি। আমাদের দুই বাংলা জুড়েই অবশ্য শিক্ষিত অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন বাঙালির সংখ্যা কোটি কোটি। পড়তে থাকুন “বই পড়া ও না পড়া”

বিদ্যাসাগরের বীর্য

বিদ্যাসাগরের বীর্য। তিনি কবে কোন কালে কোথায় কোথায় কোন নারীকে বিলিয়ে গিয়েছিলেন আর সেই বীর্যসংবাদ কার কার পূর্বপূরুষের কানে কানে জানিয়ে দিয়ে গিয়েছিলেন, তাই নিয়ে বঙ্গ সমাজে বেশ একটা হইচই পড়ে গিয়েছে। পড়তে থাকুন “বিদ্যাসাগরের বীর্য”

বাঙালির অনুবাদচর্চা

সাহিত্যচর্চার অন্যতম এক অভিমুখ হলো অনুবাদচর্চা। একটি ভাষার সাহিত্য ঠিক ততটাই উন্নত, যতটা উন্নত তার অনুবাদচর্চার দিগন্ত। বিগত কয়েকশো বছরের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যাবে। ইউরোপের সাহিত্যই আবিশ্ব সাহিত্যচর্চায় নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। যদিও বর্তমানে লাতিন আমেরিকান সাহিত্য সেই নেতৃত্বের ভার বহন করছে। পড়তে থাকুন “বাঙালির অনুবাদচর্চা”

দাদা আমি সাথে পাঁচে থাকি না

সম্প্রতি রুদ্রনীলের একটি ছড়া সারা বাংলা জুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছে। কিন্তু রুদ্রর অসাধারণ আবৃত্তিকেও ছাপিয়ে গিয়েছে মাত্র বছর দশেকের এক বালকের আবৃত্তি। বস্তুত রুদ্রর আবৃত্তির ভিডিওটির থেকেও অধিকতর জনপ্রিয় হয়েছে সেই বালকের আবৃত্তিটি। বয়সে বালক হলে কি হয়, আবৃত্তির দিগন্তে তার দক্ষতা ও সমৃদ্ধি প্রশ্নাতীত। পড়তে থাকুন “দাদা আমি সাথে পাঁচে থাকি না”

নিরোলজি

সম্রাট নিরো। নামটি শুনলেই বিশেষ একটি অনুভতি হয়। হবেই। কালে কালে কত কাল গেল। কিন্তু এই অনুভুতির মৃত্যু নাই। নিরোও তাই অমর হয়ে আজও প্রাসঙ্গিক খুবই। আচ্ছা নিরো কি সত্যই শিল্পী ছিলেন? প্রশ্নটা মনে হচ্ছে খুবই। একজন শিল্পীর অন্তিম দায়বদ্ধতা কার কাছে? পড়তে থাকুন “নিরোলজি”

আঁশটে দর্শন

দোকানীর কাছ থেকেই মাছ কাটিয়ে নিয়ে আসি। আজও কোন ব্যাতিক্রম হয় নি। কিছুটা সস্তায় রুই মাছ কাটিয়ে বাড়ি ফিরেছি। সাথে মাছের ডিম ফ্রী। মাছের ডিমের প্রতি আমার একটু বাড়তি আবেগ বর্তমান। তাই মন বেশ ফুরফুরে। পড়তে থাকুন “আঁশটে দর্শন”

২৪ ঘন্টার একুশ বছরে ২৪ ঘন্টা!

আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারী। আমাদেরই মতোন। হুজুগ সর্বস্ব। তারপর আবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলে কথা। তাই একটু ধুমধাম না করলে খারাপ দেখায়। সম্বচ্ছর এই একটি দিন, পড়তে থাকুন “২৪ ঘন্টার একুশ বছরে ২৪ ঘন্টা!”

এই সময়ের কবিতা

এই সময়ের বড়ো বৈশিষ্টি, প্রায় সকলেই কবিতা লিখছেন। তার একমাত্র কারণ ইনটারনেট ও সেশ্যাল মিডিয়া। কেন বলছি সকলেই কবিতা লিখছেন, বলছি এই কারণে নয় যে এর আগে সকলেই কবিতা লিখতেন না, পড়তে থাকুন “এই সময়ের কবিতা”

কবিখ্যাতি ও কাব্যচর্চা

না, একথা স্বীকার না করে উপায় নাই, বাংল কাব্যচর্চার দিগন্তে কাব্যের থেকে খ্যাতির চর্চা অনেক বেশি। এবং সেই চর্চার দিগন্তে আজও কবির কাব্যের থেকেও কবির জনপ্রিয়তা অর্থাৎ খ্যাতিই বেশি আলোচিত হয়। পড়তে থাকুন “কবিখ্যাতি ও কাব্যচর্চা”