অশ্লীলতার দিগন্তে

আসুন আজ একটু অশ্লীলতা নিয়েই চর্চা করি বরং। জানি। আপনি আমি। আমাদের মতো শিক্ষায় দীক্ষায় উন্নত মানুষদের অশ্লীল কথা শোনাও পাপ। তাই আমরা কোন অশ্লীল কথা বলতেও রাজি নই। শুনতেও রাজি নই। লিখতেও রাজি নই। সর্বসমক্ষে পড়তেও রাজি নই। পড়তে থাকুন “অশ্লীলতার দিগন্তে”

মুখ ঢেকে যাক বিজ্ঞাপনে

একলা হয়ে দাঁড়িয়ে আছি

তোমার জন্য গলির কোণে

ভাবি আমার মুখ দেখাব

মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে।

পড়তে থাকুন “মুখ ঢেকে যাক বিজ্ঞাপনে”

নিরোলজি

সম্রাট নিরো। নামটি শুনলেই বিশেষ একটি অনুভতি হয়। হবেই। কালে কালে কত কাল গেল। কিন্তু এই অনুভুতির মৃত্যু নাই। নিরোও তাই অমর হয়ে আজও প্রাসঙ্গিক খুবই। আচ্ছা নিরো কি সত্যই শিল্পী ছিলেন? প্রশ্নটা মনে হচ্ছে খুবই। একজন শিল্পীর অন্তিম দায়বদ্ধতা কার কাছে? পড়তে থাকুন “নিরোলজি”

আঁশটে দর্শন

দোকানীর কাছ থেকেই মাছ কাটিয়ে নিয়ে আসি। আজও কোন ব্যাতিক্রম হয় নি। কিছুটা সস্তায় রুই মাছ কাটিয়ে বাড়ি ফিরেছি। সাথে মাছের ডিম ফ্রী। মাছের ডিমের প্রতি আমার একটু বাড়তি আবেগ বর্তমান। তাই মন বেশ ফুরফুরে। পড়তে থাকুন “আঁশটে দর্শন”

২৪ ঘন্টার একুশ বছরে ২৪ ঘন্টা!

আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারী। আমাদেরই মতোন। হুজুগ সর্বস্ব। তারপর আবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলে কথা। তাই একটু ধুমধাম না করলে খারাপ দেখায়। সম্বচ্ছর এই একটি দিন, পড়তে থাকুন “২৪ ঘন্টার একুশ বছরে ২৪ ঘন্টা!”

ট্যাগ দিয়ে যায় চেনা

ফেসবুকের বন্ধুত্ব। অনেকেই মনে করে থাকেন এটি নিছকই ভার্চ্যুয়াল ফ্রেণ্ডশিপ। এর সাথে আন্তরিক বন্ধুত্বের কোন সংযোগ থাকতে পারে না। অনেকে আবার এও মনে করেন, পাড়া প্রতিবেশী সকলের সাথে যেমন নিছক লৌকিকতার সম্পর্ক আমাদের, পড়তে থাকুন “ট্যাগ দিয়ে যায় চেনা”

ধর্ষিতা নারী

শোনা যায় ভারতবর্ষে প্রতি পনেরো মিনিটে একটি করে ধর্ষণের মতো জঘন্য ঘটনা ঘটে! এরসাথে শ্লীলতাহানী যৌনহয়রানী যোগ করলে পরিসংখ্যানটি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে! শারীরীক সক্ষমতায় মেয়েরা দূর্বল বলেই যে এঘটনা ঘটে তা নয়! পড়তে থাকুন “ধর্ষিতা নারী”

প্রবন্ধ ও বাঙালিত্ব

অধিকাংশ উচ্চশিক্ষিত এবং কোন না কোন পেশাদারী অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ ব্যক্তিমানুষকেও দেখা যায়, যে কোন বিষয় নিয়েই হোক না কেন, প্রামান্য প্রবন্ধ লেখার বিষয় একান্ত অনীহা। এমনকি যে বিষয়ে তাঁর গভীর বুৎপত্তি ও বিস্তৃত জ্ঞান রয়েছে, পড়তে থাকুন “প্রবন্ধ ও বাঙালিত্ব”