ভুবনজোড়া আসনখানি

রবীন্দ্রনাথের একটি গানের কলি মনের ভিতরে ঘুরপাক খাচ্ছে অনবরত। ভুবনজোড়া আসনখানি আমার হৃদয়-মাঝে বিছাও আনি।

১৯১৬ সালের ২১শে মে। চীন সাগরের ঢেউ ভেঙে এগিয়ে চলছিলেন কবি। কোসামারু জাহাজে। লিখে ফেললেন একটি গান। তারই প্রথম কলি এইটি। অর্থাৎ গোটা ভুবনটাই যেন আমার অন্তরের অন্তঃস্থলে অনুভব করতে পারি। সমগ্র ভুবনের সাথে আমার একাত্মতায় আমি যেন উপলব্ধি করতে পারি নিজেকে। ভুবনের সাথে আমার সংশ্লিষ্টার মধ্যেই আমার একটা অখণ্ড অস্তিত্ব। ভুবন থেকে বিশ্লিষ্ট নই আমি। ভুবন নিয়েই আমার আমিত্ব। এখন এই কথা খুব একটা নতুন কথাও নয়। যাঁদের ঔপনিষদিক দর্শনের সাথে পরিচয় রয়েছে। তাঁরাই জানেন। এই সত্য সর্ব প্রথম ধরা পড়ে উপনিষদের দর্শনেই। তার আগের ইতিহাস আমাদের কারুর কাছেই নেই। ফলে উপনিষদকেই দর্শনের প্রথম প্রামাণ্য প্রকাশ বলে ধরে নিতে হয় আমাদের। আমরা এও জানি আমাদের রবীন্দ্রনাথ উপনিষদের সত্যের কত কাছে গিয়ে পৌঁছিয়ে ছিলেন। তাঁর সারা জীবনের জীবন সাধনায়। তাঁর বিভিন্ন সৃষ্টিতে এবং বিশেষ করে তাঁর গানে তিনি তাঁর স্বাক্ষর রেখে গিয়েছেন। ফলে কবির কাছে এই আর্তিই প্রত্যাশিত। তিনি তো চাইবেনই সমগ্র ভুনের সাথে একাত্মতার উপলব্ধিতে নিজের আমিকে অনুধাবন করতে। এখন এই যে একটি স্বপ্ন। সমগ্র ভুবনের সাথে একাত্মতার ইচ্ছে। এর দুইটি দিক থাকতে পারে। একটি তো আমরা বলতেই পারি, আধ্যাত্মিক দিক। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সাথে একাত্মতার অনুভব। কিন্তু আমাদের কবি রবীন্দ্রনাথ। যাঁর কাছে বিশ্বসত্য মানবসত্য। মানুষ বাদ দিয়ে কোন বিশ্বসত্যের প্রতি তাঁর কোন আগ্রহ ছিল না। বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের সাথে কবি’র সেই বিখ্যাত বিতর্কের কথা যাঁরা জানেন। তাঁরা বুঝতে পারবেন। আইনস্টাইনের কাছে সত্য, মানব উপলব্ধির উপরে নির্ভরশীল নয়। সত্য সত্যই। কিন্তু আমাদের কবি, সেই তত্বে বিশ্বাসী ছিলেন না। তাঁর কাছে সত্য মানবের উপলব্ধিজাত অনুভব। তাই তো তিনি বলতে পারেন, গোলাপের দিকে চেয়ে বললুম ‘সুন্দর’। সুন্দর হল সে। তাঁর কাছে সবুজ পান্না আর রাঙা চুনি মানুষের চেতনায় সত্য। মানুষের চেতনার বাইরে সত্য নয়। কিন্তু বিজ্ঞানী তো সে কথা মানতে পারেননি। মানুষ থাকুক আর নাই থাকুক। পুবে পশ্চিমে আলো তো জ্বলে উঠবেই।

তাহলে দেখা যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করে নিতে পারি। আমাদের কবি’র কাছে ভুবন মানে মূলত মানুষেরই ভুবন। মানুষকে বাদ দিলে যদি ভুবন ভুবনই থাকেও, সেই ভুবন নিয়ে আমাদের কবি’র মাথাব্যাথা থাকার কথা নয়। ফলে এই গানের কলিতে কবি যখন বলেন ভুবনজোড়া আসনখানির কথা। তখন ধরে নিতে দ্বিধা নাই, সেই আসন মানুষেরই ভুবনের আসন। শাশ্বত সময়ের মানবাত্মার আসনের কথাই কি বলেননি কবি? যে আসনখানি আপন হৃদয়ে ধারণ করতেই উদগ্রীব আমাদের কবি। সমগ্র মানবাত্মার সাথে ব্যক্তিসত্যের যে সংযোগ। সেখানেই সত্য আমাদের রবীন্দ্রনাথ। আবার আরও একটু বিস্তৃত করে বললে। বলা যেতে পারে। সমগ্র মানব অস্তিত্বের সাথে ব্যক্তিসত্বার যে সংযোগ। সেই সংযোগেই সত্য আমাদের প্রিয় কবি। তাই কি তিনি বলছেন না, ভুবনজোড়া আসনখানি আমার হৃদয়-মাঝে বিছাও আনি। আর ঠিক এইখানেই আর এক মনীষীর মুখের ছবিও কি ভেসে উঠতে পারে না? আমাদের চেতনায়। তিনিও তো তাঁর সমাজতান্ত্রিক ভাবনায় সমগ্র মানবসমাজের সমগ্রতাকে সমানাধিকারের বেদীতে স্থাপন করার কথাই বলে গিয়েছিলেন। যেখানে সমগ্র মানব সমাজের সাথে ব্যক্তির অস্তিত্ব এমন ভাবেই অন্বিত থাকবে। যেখানে প্রতিষ্ঠিত হয় সম্পর্কের সাম্য। অধিকারের সাম্য। ভোগের সাম্য। কর্মের সাম্য। ক্ষমতার সাম্য। সম্পদের সাম্য। অর্থনীতির সাম্য। সেই কার্ল মার্কসও কি তাঁর সমাজতান্ত্রিক মানব ভুবনকে নিজের হৃদয়ে বিছিয়ে ছিলেন না? না বিছালে কি করে তিনি সমানাধিকারের তত্ব প্রতিষ্ঠার দিকে এগিয়েছিলেন? গোটা মানব সমাজকে আপন হৃদয়ে ঠাঁই দিতে না পারলে সাম্যবাদের সত্যে পৌঁছাবো কি করে আমরা? মার্কসের অর্থনীতি আমাদের আলোচনার বিষয় নয়। আমরা শুধু দেখে নিতে চাইছি। রবীন্দ্রনাথ যখন ভুবনজোড়া আসনখানি আপন হৃদয়ে ঠাঁই দেওয়ার কথা বলেন, তখন মার্কসের সমাজতান্ত্রিক সত্য সাম্যবাদের সত্যের সাথে আমাদের কবির সত্যের অন্বয় কতটুকু।

কবিও তো সমগ্র মানব অস্তিত্বের সত্যের সাথে ব্যক্তি অস্তিত্বের সত্যকে মিলিয়ে নিতে চেয়েছেন। না, শুধুমাত্র এই একটি গানে নয়। তাঁর সমগ্র জীবনসা‌ধনায়। কিন্তু, এই মিলিয়ে নিতে চাইলেই তো আর হবে না। মিলন হবে কিসের ভিত্তিতে? মিলন হতে পারে একমাত্র সাম্যের ভিত্তিতেই। এই মিলন তখনই সম্ভব যখন আমরা অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে বাকি সকলকে নিজের সমান বলে অনুভব করতে পারবো। তার আগে তো নয় কিছুতেই। মার্কসও কি চাননি, সমগ্র সমাজের সাথে ব্যক্তি মানবের সম্পর্ককে সমানাধিকারের শর্তে সংশ্লিষ্ট করতে? সেই সংযোগ সাধন তো অর্থনীতির প্রশ্নকে এড়িয়ে গিয়ে বা বাদ দিয়ে সম্ভব নয়। বরং একমাত্র অর্থনীতির পুনর্বিন্যাসের ভিতর দিয়েই সম্ভব। না, অন্য কোন ভাবেই সম্ভব নয়। ফলে রবীন্দ্রনাথ ও মার্কস। দুই ভিন্ন ভুবনের বাসিন্দা হলেও। তাঁদের উভয়ের মূল অভিমুখ কি একই দিককে নির্দেশ করে না? সাম্যের ধারণাকে বাদ দিয়ে মিলনের পথ খুলবে কি করে? আবার সাম্যের শর্তগুলি পুরণ না হলে এই মিলন সম্ভব হবেই বা কি করে? ফলে কবি যখন বলেন, ভুবনজোড়া আসনখানি আপন হৃদয়ে বিছিয়ে নেওয়ার কথা। তখন সেই কথার গুরুত্ব ও ওজোন সমধিক। স্মরণে রাখতে হবে আমাদের কবির কাছে ভুবনজোড়া আসনখানিতে সমগ্র মানব অস্তিত্ব অন্বিত। আবার মার্কসের অর্থনীতির দর্শনেও সেই ভুবনজোড়া আসনখানি আন্তর্জাতিক সমাজতন্ত্রের ভাবনা জাত। যে আন্তর্জাতিক সমাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার কথা সাম্যবাদীরা বলে এসেছেন চিরকাল। আমাদের কবি তাঁর আপন হৃদয়ে সেই ভাবনারই সমন্বয় সাধন করতে চেয়েছেন আধ্যাত্মিক চেতনার আলোকে। তাঁর গানে। কথায়। আজীবন সাধনায়।

আবার আমাদের একথাও বলার উদ্দেশ্য নয় যে, কবির এই গানটি আমাদেরকে মার্কসীয় চেতনায় দীক্ষিত করে তুলতে পারে। না, একদমই নয়। তেমনটি ভাবার কোন কারণও ঘটেনি। গানের পরবর্তী কলিতে কান দিলে আমাদের কথা আরও স্পষ্ট হতে পারে। এরপরেই কবি মেলাতে চাইছেন দিনের রবির সাথে রাতের তারার। মেলাতে চাইছেন আলোর ছবির সাথে অন্ধকারের ছবির। ভুবনজোড়া সবকিছুকেই কবি সমান ভাবে মিলিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। আর এইখানেই একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে যাই আমরা। সব কিছুর সাথে, সব কিছুকেই এমন শর্তহীন ভাবে মিলিয়ে নেওয়া সম্ভব কি আদৌ? তাহলে তো বলতে হয় কনস্ট্রাক্টিভ ফোর্স আর ডেস্ট্রাক্টিভ ফোর্স। এই দুই ফোর্সকেই একই মানসিকতায় বরণ করে নেওয়া দরকার। কবি তো বলছেন, “ভুবনবীণার সকল সুরে আমার  হৃদয় পরান দাও-না পূরে”। তবে কি এই ভাবে ভাবতে গেলে আমাদেরকে পুঁজিবাদ আর সাম্যবাদ। ধনতন্ত্র আর সমাজতন্ত্র। স্বৈরতন্ত্র আর গণতন্ত্রকেও সমান চোখে দেখতে হবে। এবং সবকিছুকেই সবকিছুর সাথে মিলিয়ে আপন করে নিতে হবে। কি ভয়ানক কথা। ভুবনবীণার সকল সুরের ভিতরে জীবন দেওয়া ও জীবন নেওয়ার সুরও তো সমান ভাবেই ক্রিয়াশীল রয়ে গিয়েছে। আমরা কি তবে সাদা আর কালোর ভিতরে কোন প্রভেদ করবো না? সাম্রাজ্যবাদ আর মানবতাবাদ তো একই সাথে মিলিয়ে নেওয়া চলে না। কেড়ে খাওয়ার দর্শন আর বিলিয়ে খাওয়ার দর্শনও তো একভাবে বরণীয় হতে পারে না। কি করে বললেন কবি, ভুবনবীণার সকল সুরেই আপন হৃদয় প্রাণকে প্রাণিত করে নেওয়ার কথা?

যে রবীন্দ্রনাথ ভুবনজোড়া আসনখানি হদয়ে পাতার কথা বলছেন। সেই একই রবীন্দ্রনাথ ভুবনবীণার সকল সুরে হৃদয় প্রাণিত করার কথাও বলছেন? এখন পাঠক হয়তো বলতে পারেন। কবি তো সুরের কথাই বলছেন। বেসুরের কথা তো আর বলেন নি। আমাদের তাই সুরের উপরেই নজর দিতে হবে। সুর আর বেসুরের ভিতরে পার্থক্যটাও অনুধাবন করে নিতে হবে। করে নিতে পারলে আর মনে হবে না, ভুবনজোড়া আসন আর ভুবনবীণার সুরের ভিতরে কোন বৈপরীত্য থাকতে পারে। অনেকেই সহমত হবেন সন্দেহ নাই। কিন্তু ভুল ভাঙবে গানের শেষ কলিতে এসে। কবি লিখছেন, “দুঃখসুখের সকল হরষ, ফুলের পরশ, ঝড়ের পরশ–তোমার করুণ শুভ উদার পাণি আমার  হৃদয়-মাঝে দিক্‌-না আনি”। না এখন আর কোন ধাঁধা নাই। আমাদের প্রাণের কবি স্পষ্টই বলে দিচ্ছেন। দুঃখ আর সুখ। ফুল আর ঝড়ের পরশ। করুণা আর শুভবোধের আধারে সমান মূল্যে বরণ করে নিতে হবে। না আর কোন ভেদাভেদ নেই। নেই কোন অস্পষ্টতা। কবি সুস্পষ্ট করেই সকল কিছুকেই সমান মূল্যে বরণ করে নিতে প্রত্যাশী। আগ্রহী। সেই কনস্ট্রাক্টিভ ফোর্স আর ডেস্ট্রাক্টিভ ফোর্স। সৃষ্টি আর ধ্বংস। পাপ আর পূণ্য। সবকিছুই সমান ভাবে সমদর্শী চেতনার আলোকে আলোকিত করে নেওয়ারই কথা কিন্তু বলতে চাইছেন আমাদের কবি।

কিন্তু কখন সম্ভব হয় এই পর্যায়ে পৌঁছানো? যখন সেই আইনস্টাইনের তত্বের মতো জগতসত্যকে মানব নিরপেক্ষ সত্য বলে উপলব্ধি করতে পারি আমরা। তখন সম্ভব। আলো অন্ধকার, পাপ পূণ্য, সৃষ্টি আর ধ্বংস। সব কিছুই এক ও অভিন্ন সত্য বলে বরণ করে নেওয়া সম্ভব। কিন্তু যতক্ষণ আমাদের চেতনায় ‘আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠলো আলো পুবে পশ্চিমে। গোলাপের দিকে চেয়ে বললুম ‘সুন্দর’ সুন্দর হলো সে’। ততক্ষণ তো নিশ্চয় সম্ভব নয়, ভুবনবীণার সকল সুরে হৃদয় ভরিয়ে নেওয়া। ততক্ষণ আমাদের আটকিয়ে থাকতেই হবে মার্ক্সীয় ভুবনে। যেখানে ভুবনজোড়া আসনখানি আপন হৃদয়ে পাতার কথাই বলেন রবীন্দ্রনাথ। যে ভুবনকে তিনি নিজেই স্বয়ং আইনস্টাইনের কাছে মানবের ভুবন বলেই ব্যক্ত করেছিলেন। বিজ্ঞানের সত্যকে মানবিক সত্যে শুদ্ধ করে নিতে প্রত্যয়ী থেকে। তাহলে কি কবি’র অবচেতনে নিরন্তর কোন দ্বন্দ্ব জায়মান ছিল তলায় তলায়? যে কবি দুঃখ সুখ, ভালো মন্দ। আলো অন্ধকার সৃষ্টি ধ্বংস পাপ পূণ্যকে সমদর্শী চেতনায় ধরতে চাইছেন এই গানে। সেই কবিই কি লেখেন নি, ‘যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু নিভাইছে তব আলো, তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছো তুমি’কি বেসেছো ভালো?” না, মার্কস তো পারেন নি। পারেননি রবীন্দ্রনাথও। সমগ্র রবীন্দ্রনাথের একখানি মালার সাথে আমাদের পরিচয় থাকলে, আমরাও নিশ্চিত এই কথাই বলবো। কবিই নিজেই পারেন নি। ক্ষমা করতে। পারেননি বলেই তাঁকে লিখতে হয়েছিল ‘সভ্যতার সংকট’।

কিন্তু চেতনে অবচেতনে তাহলে একটা দ্বন্দ্বও কি ছিল কবির? যে কবি আইনস্টাইনের সাথে তর্কে স্পষ্ট বলে দিচ্ছেন। মানব সত্যের অতিরিক্ত সত্যে তাঁর কোন আস্থা নেই। সেই তিনিও কি সময়ে সময়ে মানবাত্মা নিরপেক্ষ কোন বিশ্বাত্মার খোঁজ করতেন? পেণ্ডুলামের মতো দুলতেন এই দুই চুড়ান্ত বিন্দুর ভিতরে? যার একদিকে মানবাত্মা আর এক দিকে বিশ্বাত্মা। একদিকে ঘোষিত ররীন্দ্রনাথ। আর একদিকে অঘোষিত রবীন্দ্রনাথ, বা আইনস্টাইন। মানুষের সত্য আর জগতের সত্যকে মিলিয়ে নেওয়ার সাধনা ছিল যাঁর। সেই আমাদের কবি কি পেরেছিলেন কোন একটা সমঝতায় পৌঁছাতে? না’কি আজীবন দুই সত্যের ভিতরেই দোদুল্যমান ছিলেন আমাদের প্রিয় রবিঠাকুর?

৮ই জুন’ ২০২১

কপিরাইট সংরক্ষিত

ভুবনজোড়া আসনখানি

আমার হৃদয়-মাঝে বিছাও আনি ॥

রাতের তারা, দিনের রবি, আঁধার-আলোর সকল ছবি,

তোমার আকাশ-ভরা সকল বাণী–

আমার  হৃদয়-মাঝে বিছাও আনি ॥

ভুবনবীণার সকল সুরে

আমার হৃদয় পরান দাও-না পূরে।

দুঃখসুখের সকল হরষ, ফুলের পরশ, ঝড়ের পরশ–

তোমার করুণ শুভ উদার পাণি

আমার  হৃদয়-মাঝে দিক্‌-না আনি ॥

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s